
২০২৫ সালের ২৮ মার্চ মিয়ানমারে ঘটে যাওয়া ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে। এই বিপর্যয়ের পর বাংলাদেশ সরকার দ্রুত মানবিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
বাংলাদেশের সহায়তা কার্যক্রম:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর যৌথ ত্রাণ মিশন
তিনটি পরিবহন বিমানে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো
তিনটি পরিবহন বিমানে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো
উদ্ধারকারী দল ও চিকিৎসক মোতায়েন
জরুরি ওষুধ, খাদ্য, ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানো
বাংলাদেশের উদ্যোগ:
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, এবং ফায়ার সার্ভিসের বিশেষজ্ঞ দল মিয়ানমারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মূল লক্ষ্য আহতদের চিকিৎসা দেওয়া ও উদ্ধার কাজে সহায়তা করা।
সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ:
মিয়ানমারের সামরিক সরকার ও রাজনৈতিক অস্থিরতা আন্তর্জাতিক ত্রাণ কার্যক্রমকে জটিল করে তুলেছে। বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর মতো বাংলাদেশও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। মানবিক সহায়তা দিতে সীমান্ত অঞ্চলে কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
বাংলাদেশের এই উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতিবাচকভাবে দেখছে। জাতিসংঘ, রেড ক্রসসহ বিভিন্ন সংস্থা এই সহায়তাকে স্বাগত জানিয়েছে।
বাংলাদেশ শুধু প্রতিবেশী দেশ হিসেবেই নয়, বরং একটি মানবিক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। মিয়ানমারে বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই সহায়তাকে কতটা সফল হতে দেবে।